শুধু কালেমা পড়লে জান্নাতের সুসংবাদ পাওয়া যাবে কী

শুধু কালেমা পড়লে জান্নাতের সুসংবাদ পাওয়া যাবে কী?

আক্বীদা ও ফেকাহ জানা-অজানা

শুধু কালেমা পড়লে জান্নাতের সুসংবাদ পাওয়া যাবে কী?

প্রশ্ন : আল্লাহ তাআলা কুরআনে কারীমে ইরশাদ করেন- ان الذين امنوا وعملوا الصالحات كانت لهم এ আয়াতের ব্যাখ্যায় একজন আলেম অধিকাংশ মুফাস্সিরীনের এ মত উল্লেখ করেছেন যে, শুধু ঈমানদার আমলে সালেহা তথা নামায, রোযা ইত্যাদি ছাড়া জান্নাতের সুসংবাদের উপযুক্ত। কেননা, কোনো বিষয়ের আতফ তার নিজের ওপর করা হয় না।

এটা কী করে সম্ভব?

উত্তর : যদি কোনো ব্যক্তি ঈমান আনয়নের পর নেক আমলের সুযোগ না পায়, তাহলে সেও খোদায়ী কানুন মতে সহীহ ধর্মের অনুসারী হিসেবে এ সুসংবাদের অন্তর্ভুক্ত।আর যে ব্যক্তি ঈমান আনার পর সুযোগ পেল কিন্তু সে আমলে সালেহা না করে গোনাহে লিপ্ত রইল সে প্রথম বারে জান্নাতে যেতে পারবে না বরং শাস্তি ভোগ করার পর জান্নাতের উপযুক্ত হবে।

উক্ত আলেমের দলীলের সারাংশ হলো, ঈমান ও আমালে সালেহা পৃথক পৃথক বিষয়।

অতএব উভয়ের ওপর সুসংবাদ হবে, শুধু ঈমানের ওপর নয়।

সুতরাং শুধু ঈমানদার হওয়ার ওপর সুসংবাদের উপযুক্ত হওয়ার ব্যাপারে এ দলীল পেশ করা সম্পূর্ণ অমূলক।

শুধু কালেমা পড়লে কি জন্নাতে যাওয়া যাবে?

আরো জানতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েব সাইট রাহে সুন্নাত ব্লগ

আদর্শ সেনানায়ক মহানবী The ideal commander is the Prophet

কোনো অমুসলিম কি নেকী করে জান্নাতে যেতে পারবে?

প্রশ্নঃ জহুর খান নামের এক ব্যক্তি বলে, মুসলমান ছাড়া অন্য কোনো ধর্মাবলম্বী যদি নেক আমল করে, তাহলে সেও জান্নাতী হবে। এ দাবির পক্ষে সে কুরআনের আয়াত পেশ করে। অনুগ্রহ করে এর জবাব জানাবেন।

উত্তরঃ যে ব্যক্তি কুফর ও শিরকের হালতে মরেছে সে মুক্তি পাবে না। সে সর্বদার জন্য দোযখে যাবে।

ومن يشرك بالله فقد حرم الله عليه الجنة ومأوه النّار

অর্থ: যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শরীক করলো, আল্লাহ তার জন্য জান্নাত হারাম করে দিয়েছেন, তার ঠিকানা জাহান্নাম। এ ব্যাপারে কুরআনের স্পষ্ট আয়াত বিদ্যমান রয়েছে।

-মাহমূদিয়া ২/৩৮: সূরা মায়িদা ৭২ সূরা নিসা ৪৮,১১৬।

Leave a Reply

Your email address will not be published.