সৎ কাজের আদেশ

সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজে নিষেধ না করলে শাস্তি অনিবার্য

আত্মশুদ্ধি ইবাদত ইসলাম প্রতিদিন

সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজে নিষেধ না করলে শাস্তি অনিবার্য

প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন ওয়াজ করেন এবং মুসলমানদের কয়েকটি জামা‘আতের প্রশংসা করেন। অত:পর বলেন- “ওই সব লোকের কী অবস্থা যারা নিজেদের প্রতিবেশীদেরকে দ্বীনের কথা বুঝায় না, দ্বীন শিখায় না, উপদেশও দেয় না, সৎ কাজেরও আদেশ করে না, অসৎ কাজেও বাধা দেয় না! আর ওইসব লোকের কী হালত যারা নিজেদের প্রতিবেশীদের থেকে দ্বীনের কথা শিখে না, বুঝে না, উপদেশ গ্রহণ করে না! আল্লাহর কসম! হয়ত সকলেই নিজ নিজ প্রতিবেশীদের অবশ্য অবশ্যই দ্বীন শিখাবে, দ্বীনের কথা বুঝাবে, উপদেশ প্রদান করবে, সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজে নিষেধ করবে। আর প্রত্যেক স¤প্রদায় যেন অবশ্য অবশ্যই নিজ প্রতিবেশীদের থেকে দ্বীন শিক্ষা করে, দ্বীনের কথা বুঝে, উপদেশ মান্য করে। নতুবা আমি অতি অবশ্যই এদের সকলের উপর শাস্তি অবতীর্ণ করবো।” অত:পর প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বর থেকে নিচে নেমে গেলেন। -তাবারানী, কাবীর

ফায়েদা : এ হাদীসে প্রতিবেশীদের প্রতি যে দ্বীনী দায়িত্ব ও কর্তব্যের আলোচনা করা হয়েছে সেটা হচ্ছে এই যে, আলেম সমাজ শরীয়ত নির্ধারিত সীমারেখার ভিতরে থেকে মহল্লাবাসীদেরকে দ্বীনের প্রতি আকৃষ্ট করবে। আর যেসব ব্যক্তির নিকট প্রয়োজনীয় দ্বীনী ইলম নেই তারা আলেমদের নিকট থেকে দ্বীনী বিষয়সমূহ অর্জন করতে লজ্জাবোধ করবে না। নতুবা ভীষণ ক্ষতির আশঙ্কা আছে।

বুঝা গেল, দুনিয়াবী প্রয়োজনের ক্ষেত্রে যেরকম একে অন্যের সহযোগিতা কামনা করে, অনুরূপভাবে দ্বীনী ক্ষেত্রেও সহযোগিতা নিবে। দ্বীনী ক্ষেত্রে এ সহযোগিতা দুনিয়াবী সহযোগিতার তুলনায় অনেক বেশি জরুরী।

সঙ্গে সঙ্গে এটাও বুঝা গেল যে, যেমনিভাবে মহল্লার কেউ শারীরিক কোনো ক্ষতির শিকার হলে তাকে সাহায্য করা হয়, অনুরূপভাবে যখন কেউ দ্বীনী দিক দিয়ে কোনো ক্ষতির শিকার হবে, তখন সাধ্যানুযায়ী তাকেও সহযোগিতা করতে হবে।

আল্লাহর আইন শাশ্বত ও চিরন্তন

মহানবী জগতের আদর্শ মহামানব। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

মানব জাতির মুক্তি ও কামিয়াবী সুরাতুল আসরের ৪ মূলনীতির আলোকে ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক

Leave a Reply

Your email address will not be published.