Hajj in the eyes of Islam (ইসলামের দৃষ্টিতে হজ্ব) || রাহে সুন্নাত ব্লগ || Rahe Sunnat Blog

Blog (ব্লগ) ইসলামী ইতিহাস সংবাদ
Hajj in the eyes of Islam


One of the pillars of Hajj Islam is one of the pillars. The way in which the Prophet (peace be upon him) was the order of the Prayer, Fasting and Zakat, as it was in the Shari’ah of the Prophet (peace be upon him), there was hajj and obligatory in his Shari’ah. Hajj is obligatory on those who are physically and financially capable of Prophet Muhammad (peace be on him) among the followers of Prophet Muhammad (peace be upon him). It is not possible to discuss Hajj in this short article. I wish to highlight the important issues of Hajj in the reader’s heart, if Allah has given me Taufiq.

Definition of Hajj
The literal meaning of Hajj is the will, and by performing certain functions in the term of the Shari’ah, it is called pilgrimage to pilgrimage to Baitullah Sharif with the ihram.
The reasons for the Hajj are mandatory
The reason for the Hajj being obligatory is the Baitullah or Ka’bah. Hajj can be repeated only once in the life of the reason for not getting multiple times.
When is the Hajj obligatory?
It is said in the holy Qur’an that the pilgrimage to the Hajj has been enjoined in the holy Quran. It means that the Hajj of Baitullah Sharif has been made obligatory on those who can reach the Ka’bah. According to the commentary of the mufassirin, it has been prescribed in Hajj 9th or 6th Hijri. After that, the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) used to perform Farz Hajj in the tenth hijrah which is best known in the history of farewell Hajj.
Hajj Terms:
The following conditions are necessary for Hajj to be mandatory.
1. Being free: Therefore, Haj is not obligatory on slaves.
2. To be Muslim: So it is not obligatory on the infidel and polytheists. If someone becomes a Muslim after hijab while being a disbeliever then he will have to perform Hajj again.
3. Being Adult: So, if the child is the owner of a lot of wealth, then the Hajj will not be obligatory on him.
4. Being wise: Hajj is not obligatory on a mad, drunken and stupid person.
5. Suffering: Therefore, Hajj is not obligatory on a person who is unable to return to the sick, crippled, blind and unable to move.
6. Being able to afford the cost: That is, there is a wealth of resources that accompany the cost of travel and the costs of family dredging until the return. His resources should be in addition to the residential and daily necessities.
7. Getting safe: It is important to be safe to fear the enemies of the enemy and the wild animals, including the restrictions of state rules. It is to be noted that if Haj is a woman, then there should be a husband or mahram with him. His mahram means those people who are forbidden to marry.
Virtue of Hajj:
It is narrated from Abu Huraira that the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) asked, “Which is the best thing that is best?” He said, “Believe in Allah and His Messenger (peace be upon him). Asked what works best after that? He said jihad in the streets of Allah. Again, no further action was asked? The Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) said that Hajj maburu (Kabir Haj) (Bukhari and Muslim Sharif)
The Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) also said that a person will perform Hajj for the sake of Allah and he will not engage in any activities during the time of acquiring Hajj, after the Hajj, he will return home after being born as a newly born child. (Bukhari and Muslim Sharif)
Do not make pilgrimage to the pilgrimage:
Allah has said, ومن كفرفان الله غنى عن العلمين, that is, the person who denies the Hajj being obligatory should know that Allah is Reckless from the whole world. In the commentary of this verse, in the commentary that the person who does not do the pilgrimage, despite being able to do the pilgrimage, is unbelieving in one way. As a result, the words of disbelief have been used in the words of disbelief for them. Because he is acting like a disbeliever. According to Hadrat’Ali, the Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) said: “Whoever wants to perform Hajj in spite of having the ability to die in the state of Yahya or die in Christianity, it does not matter. (Tirmidhi)

ইসলামের দৃষ্টিতে হজ্ব

হজ্ব ইসলামের পঞ্চস্তম্বের মধ্যে অন্যতম একটি স্তম্ব। পুর্ববর্তী নবী রাসুল আলাইহিস্ সালামগনের শরীয়তে যেভাবে নামায, রোযা ও যাকাতের বিধান ছিল তেমনি ভাবে তাদের শরীয়তে হজ্ব ও ফরয ছিল। মহানবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উম্মতের মধ্যে যারা শারীরিক ও আর্থিক ভাবে পুর্ণ সামর্থবান তাদের উপর ও হজ্ব ফরয। হজ্ব সংক্রান্ত আলোচনা এই সংক্ষিপ্ত নিবন্ধে করা সম্ভব নয়। আমি এখানে শুধু মাত্র হজ্বের জরুরী বিষয় কিঞ্চিৎ আলোচনা পাঠক মহলের খেদমতে তুলে ধরতে ইচ্ছে করছি যদি আল্লাহ তা’য়ালা আমাকে তাওফিক দান করেন।
হজ্বের সংজ্ঞা ঃ

হজ্ব শব্দের আভিধানিক অর্থ হল ইচ্ছা করা, এবং শরীয়তের পরিভাষায় নির্ধারিত সময়ে নির্দিষ্ট কতিপয় কার্যাবলী পালনের মাধ্যমে ইহরামের সাথে বায়তুল্লাহ শরীফ যিয়ারত করাকে হজ্ব বলে।

হজ্ব ফরয হওয়ার কারন ঃ

হজ্ব ফরয হওয়ার কারন হচ্ছে বায়তুল্লাহ তথা কা’বা ঘর। একাধিক বার কারন না পাওয়ায় হজ্ব জীবনে একবারই ফরয হয়ে থাকে।

হজ্ব কখন ফরয হয়?

হজ্ব ফরয হওয়া সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে ولله على الناس حج البيت من استطاع اليه سبيلا  অর্থাৎ যারা কা’বা ঘরে পৌছতে সক্ষম তাদের উপর বায়তুল্লাহ শরীফের হজ্ব করা ফরয করা হয়েছে। মুফাস্সিরীনে কেরামের ভাষ্যমতে হজ্ব ৯ম অথবা ৬ষ্ট হিজরীতে ফরয করা হয়েছে। এরপর হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দশম হিজরীতে ফরয হজ্ব আদায় করেন যা ইতিহাসে বিদায় হজ্ব নামে সর্বাধিক পরিচিত।

হজ্বের শর্ত সমূহ ঃ 

হজ্ব ফরয হওয়ার জন্য নিম্ন বর্ণিত শর্ত সমূহ পাওয়া আবশ্যক।
১। স্বাধীন হওয়া : অতএব দাস-দাসীর উপর হজ্ব ফরয নয়।
২। মুসলমান হওয়া : তাই কাফির-মুশরিকদের উপর ফরয নয়। কেউ যদি কাফির অবস্থায় হজ্ব করে অতপর মুসলমান হয় তাহলে পূনরায় হজ্ব করতে হবে। 
৩। প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়া : কাজেই নাবালেগ প্রচুর অর্থ সম্পদের মালিক হলেও তার উপর হজ্ব ফরয হবেনা। 
৪। জ্ঞানবান হওয়া : সুতরাং পাগল, মাতাল ও নির্বোধ ব্যক্তির উপর হজ্ব ফরয নয়। 
৫। সুস্ত হওয়া : অতএব অসুস্থ, খোঁড়া, অন্ধ, ও চলা ফেরা করতে অক্ষম এমন ব্যক্তির উপর হজ্ব ফরয নয়।
৬। পথ খরচ বহনে সক্ষম হওয়া : অর্থাৎ এমন পরিমান সম্পদ থাকা যা দিয়ে যাতায়ত খরচ এবং ফিরে আসা পর্যন্ত পরিবার-পরিজনের খোরপোশের খরচ চলে। তার এ সম্পদ আবাসস্থল ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর অতিরিক্ত হতে হবে। 
৭। পথ নিরাপদ হওয়া : অর্থাৎ রাষ্ট্রীয় বিধি নিষেধ সহ শত্রু ও হিংস্র জীব জন্তুর ভয় হতে নিরাপদ হওয়া আবশ্যক। উল্লেখ্য যে, হজ্ব কারী মহিলা হলে তার সাথে স্বামী অথবা মাহরাম থাকা আবশ্যক।  তার মাহরাম সেসব লোককে বুঝায় যাদের সঙ্গে বিবাহ নিষিদ্ধ।

হজ্বের ফযীলত : 

হযরত আবু হুরায়রা রা: থেকে বর্ণিত আছে যে, একদা হযরত নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে জিজ্ঞেস করা হল কোন আমল সর্বাপেক্ষা উত্তম? তিনি বলেন আল্লাহ তা’য়ালা ও তার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর ঈমান আনা। জিজ্ঞেস করা হল তার পর কোন আমল শ্রেষ্ঠ? তিনি বলেন আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা। আবার জিজ্ঞাস করা হল এরপর আর কোন আমল? হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন হজ্জে মাবরুর তথা কবুল হজ্ব। (বুখারী ও মুসলীম শরীফ) 
হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেন যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’য়ালার নিমিত্তে হজ্ব পালন করবে এবং হজ্ব আদায় করা কালীন সময়ে কোন গর্হীত কাজে লিপ্ত হবেনা, হজ্ব শেষে সে সদ্য প্রসূত শিশুর ন্যায় নিস্পাপ হয়ে বাড়ী ফিরবে। (বুখারী ও মুসলীম শরীফ)  

ফরয হওয়া সত্ত্বে হজ্ব না করা :

আল্লাহ তা’য়ালা বলেন ومن كفرفان الله غنى عن العلمين অর্থাৎ যে ব্যক্তি হজ্ব ফরয হওয়াকে অস্বীকার করে তার জানা উচিত যে, আল্লাহ তা’য়ালা সমগ্র বিশ্ব থেকে বেপরোয়া। এ আয়াতের ব্যাখ্যায় মুফাস্সিরীনে কেরাম বলেন সামর্থ থাকা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি হজ্ব করে না সে এক দিক দিয়ে অবিশ্বাসী। সূতরাং আয়তে শাসনের ভঙ্গিতে তার জন্যে কুফর শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। কারন, সে কাফেরের মতই কাজে লিপ্ত। হযরত আলী রা: থেকে বর্ণিত হযরত রাসুলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন সামর্থ থাকা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি হজ্ব করেনা চাহে সে ইয়াহুদী অবস্থায় মৃত্যু বরন করুক অথবা খৃষ্টান অবস্থায় মারা যাক, এতে কিছু আসে যায় না। (তিরমিযী)  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *